assamese grammar

HS 2nd Year Assamese Grammar । উচ্চতৰ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষৰ ছাত্র-ছাত্রী সকলৰ বাবে আগবঢ়াই দিয়া হৈছে অসমীয়া বিষয়ৰ ব্যাকৰণ। পৰীক্ষাত অৱতীর্ণ হ’ব পৰাকৈ বিভক্তি্‌ প্রত্যয় আৰু কাৰকৰ বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তৰসহ ইয়াত আলোচনা কৰা হৈছে।

১.শব্দ বিভক্তি কাক বোলে ? অসমীয়াত শব্দ বিভক্তি কেইপ্ৰকাৰৰ ? উদাহৰণ দি বুজাই লিখা ।

উত্তৰঃ শব্দ বিভক্তিঃ– প্রাতিপাদিকৰ লগত যিবোৰ বিভক্তি যোগ হৈ বাক্যত স্থান নির্ণয় কৰে, পদবোৰৰ পাৰস্পৰিক সম্বদ্ধ দেখুৱায়, সেইবোৰেই শব্দ বিভক্তি।   বা যাৰ দ্বাৰা কাৰক আৰু সম্বন্ধ পদৰ বোধ জন্মে তাকে শব্দ বিভক্তি বোলে। অসমীয়া ভাষাত শব্দ বিভক্তি সাত প্ৰকাৰৰ বুলি কোৱা হয় যদিও প্রকৃততে ছয় প্রকাৰৰহে।

উদাহৰণ :

প্রথমা বিভক্তি – এ(ই) -ৰামে কয়, সীতাই কৰে।

দ্বিতীয়া বিভক্তি –ক    -হৰিক দিয়া।

তৃতীয়া বিভক্তি – ৰে, দি, দ্বাৰা –বাছেৰে যোৱা, হাতেদি চিঙা, ৰামৰদ্বাৰা কৰা।

চতুর্থী বিভক্তি –  লৈ- অফিচলৈ যাওঁ।

পঞ্চমী বিভক্তি – পৰা – গছৰ পৰা আম সৰিছে।

ষষ্ঠী বিভক্তি  -ৰ – তোমাৰ সৈতে যাম।

সপ্তমী বিভক্তি – ত – পুখুৰীত ডাঙৰ ডাঙৰ মাছ আছে।  

মন কৰিবলগীয়া যে অসমীয়াত পঞ্চমী ‘পৰা’ এটি অনুপদহে, বিভক্তি নহয়, সেই হিচাপে অসমীয়াত শব্দ বিভক্তি প্রকৃততে ছয় প্রকাৰৰহে।  

২.কাৰক কাক বোলে? অসমীয়াত কাৰক কেই প্ৰকাৰৰ? প্রতিবিধৰে সূত্র লিখি উদাহৰণ দিয়া।  

উত্তৰঃ ‘ক্রিয়ান্বয়ী কাৰক অর্থাৎ ক্রিয়াৰ লগত যাৰ অন্বয় হয় বা সম্পর্ক সাধিত হয় বা  ক্ৰিয়াৰ লগত যাৰ সম্বন্ধ আছে, তাকে কাৰক বোলে। অসমীয়াত কাৰক ছয় প্রকাৰৰ৷ যেনে –

ক) কর্তাকাৰকঃ– যি ক্রিয়া সম্পাদন কৰে, সিয়ে কর্তা কাৰক। কর্তা কাৰকত প্রথমা বিভক্তি হয়। যেনে – মেঘে গাজিছে।

খ) কর্মকাৰকঃ– কর্তাই যাৰ ওপৰত কাম সম্পাদন কৰে, সিয়ে কর্ম। কর্ম কাৰকত দ্বিতীয়া বিভক্তি হয়। যেনে-ৰামে হৰিক মাৰিলে।  

গ)কৰণকাৰক -কর্তাই যাৰ দ্বাৰা কাম সম্পাদন কৰে, তাকে কৰণ কৰক বোলে৷ কৰণ কাৰকত তৃতীয় বিভক্তি হয়। যেনে – তামোলটো কটাৰীৰে কাটা।

HS 2nd Year Assamese Grammar

ঘ) সম্প্রদানকাৰকঃ– যাৰ  অর্থে কোনো বস্তু দান কৰা হয়, তাক সম্প্রদান কাৰক বোলে। সম্প্রদান কাৰকত চতুর্থ বিভক্তি হয়। যেনে -মাকে যদুলৈ কাপোৰ  আনিছে।

ঙ) অপাদান কাৰক -যাৰ পৰা পৃথক হোৱা, উৎপন্ন হোৱা, আৰম্ভ হোরা, ভয় পোৱা, ৰক্ষা পোরা, অন্তর্ধান হোৱা বুজায় তাকে অপাদান কাৰক বোলে। অপাদান কাৰকত ষষ্ঠী বিভক্তিৰ চিন ব্যৱহাৰ কৰাৰ উপৰি ‘পৰা’ অনুসর্গ বা অনুপদ যোগ হয়। যেনে- গছৰ পৰা ফল সৰিছে। তিলৰ পৰা তেল ওলায়।

চ) অধিকৰণ কাৰকঃ যি ক্রিয়াৰ আধাৰ অথাৎ কর্তা আৰু কর্মই যিহৰ ওপৰত ক্রিয়া সম্পাদন কৰে তাকেই অধিকৰণ কাৰক বোলে। অধিকৰণ কাৰকত সপ্তমী বিভক্তি যোগ হয়।  যেনে- হাবিত বাঘ আছে। পানীত মাছ থাকে। ইত্যাদি।  

৩. পুৰুষবাচক প্রত্যয় বুলিলে কি বুজা? অসমীয়া ভাষাত পুৰুষবাচক প্রত্যয়সমূহ কি কি? উদাহৰণ দি বুজাই লিখা।

উত্তৰঃ অসমীয়া ভাষাৰ সম্বন্ধ বুজোৱা আই, বোপাই, মা, দেউতা আদি শব্দৰ পাছত কিছুমান প্রত্যয় যোগ দিয়া হয়। সেইবোৰ, সেই শব্দবোৰৰ লগত থকা পুৰুষবাচক সর্বনাম শব্দবোৰ প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় পুৰুষ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেনে-মোৰ মা, তোৰ মা, তোমাৰ মাৰা, তাৰ মাক। এনে প্রত্যয়বোৰকে পুৰুষবাচক প্রত্যয় বোলা হৈছে। তাসমীয়া ভাষাত এই প্রত্যয়বোৰ হ’ল –

ক) (একো যোগ নহয়),-এৰ, এৰ-আ, এক।

খ) – সম্বন্ধ বুজোৱা শব্দটো আ-কাৰান্ত হ’লে প্রত্যয়বোৰৰ ৰূপ, এনেকুৱা হ’ব -(একো যোগ নহয়), -ৰ, ৰ-আ, ক।

উদাহৰণঃ প্রত্যয়-       -এৰৰ –  এৰ –আ- ৰ -আ –

একক সম্বন্ধ বুজোৱা শব্দ

মোৰ               তোৰ তোমাৰ তাৰ
ভাই ভাই   ভাই-এৰ ভাই-এৰ-আ
ভাই-এক ভায়েক ভায়েৰা ভায়েক
শাহু   শাহু শাহু-এৰ শাহু-এৰ-আ
শাহু-এক শাহুৱেৰ শাহুৱেৰা শাহুৱেক
জী জী জী-এৰ জী-এৰ-আ
জী-এক জীয়েৰ জীয়েৰা       জীয়েক
দেউতা দেউতা দেউতা-ৰ দেউতা-ৰ-আ
দেউতা-ক দেউতাৰ দেউতাৰা দেউতাক
মা মা মা-ৰ   মা-ৰ-আ
মা –ক মাৰ মাৰা মাক
শহুৰ শহুৰ শহু-এৰ শহু-এৰ-আ
শহু-এক শহুৰেৰ       শহুৰেৰা শহুৰেক

৪. কৃৎ প্রত্যয় আৰু তদ্ধিত প্রত্যয় কাক বোলে? উদাহৰণ দি বুজাই লিখা।

উত্তৰঃ

কৃৎ প্রত্যয়ঃ যিবোৰ প্রত্যয় ধাতুৰ পিছত যোগ হৈ নতুন নতুন শব্দ সাধন কৰে, সেইবোৰ প্রত্যয়কে কৃৎপ্রত্যয় বোলে। অসমীয়া ভাষাত প্ৰয়োগ হোৱা কৃৎপ্রত্যয় কেতবোৰ হল

অকঃ         মৰ + অক           = মৰক।

অতিঃ         খজুৱা +. অতি       = খজুৱতি।

অনঃ         খা +  অন           = খান।

অনিঃ         জান + অনি          =জাননি।

অনীঃ         দা + অনী            = দাৱনী।

অনিয়াৰঃ     মাগ্ +অনিয়াৰ              =মগনিয়াৰ।

অৰীয়াঃ       পল + অৰীয়া        = পলৰীয়া।

আৰুঃ        যুঁজ + আৰু          =যুঁজাৰু।

ঈয়াঃ         ৰাখ + ঈয়া =ৰখীয়া ইত্যাদি।  

তদ্ধিত প্রত্যয়ঃ

বিশেষ অর্থ বুজাবৰ নিমিত্তে বিশেষ্য আদি শব্দৰ পাছত যিবিলাক প্রত্যয় যোগ দি নতুন শব্দ সাধন কৰা হয় সেইবিলাক প্রত্যয়কে তদ্ধিত প্রত্যয় বোলে। অসমীয়াত প্রয়োগ হোৱা তদ্ধিত প্রত্যয় কেতবোৰ হ’ল

ইঃ           খেত্ + ই = খেতি।

অনিঃ       ধান + অনি, = ধাননি।

আঃ          পেহ + আ =পেহা।

অকঃ        খেতি + অক = খেতিয়ক।

অৰীয়াঃ      নাও + অৰীয়া =নাৱৰীয়া। ইত্যাদি।

৫. নির্দিষ্টতাবাচক প্রত্যয় বুলিলে কি বুজা? অসমীয়া ভাষাৰ নির্দিষ্টতাবাচক প্রত্যয় কেইটিমানৰ উদাহৰণ দিয়া।

উত্তৰঃ

নির্দিষ্টতাবাচক প্রত্যয়ঃ কোনো বস্তু বা বিষয় আদিক নির্দিষ্টকৈ বুজাবলৈ অসমীয়া ভাষাত কিছুমান প্রত্যয় ব্যৱহাৰ কৰা হয়। এইবোৰ প্রত্যয়কে নির্দিষ্টতাবাচক প্রত্যয় বোলে। এই প্রত্যয়বোৰ বিশেষ্য, বিশেষণ আৰু সংখ্যাবাচক শব্দৰ উপৰিও দ্বিতীয় পুৰুষৰ বাহিৰে আন কিছুমান সর্বনামৰ পিছতে যোগ হয়। অসমীয়া ভাষাত নির্দিষ্টতাবাচক প্রত্যয় কিছুমানৰ উদাহৰণ হ’ল-

আখি       = কলাআখি

কণ          = লৰাকণ

কুৰা          = জুইকুৰা

খিলা         = কাগজখিলা

গাল          = ভাতগাল।

ঘৰ           = দৰাঘৰ। ইত্যাদি

Read HS 2nd Year Assamese Grammar

৬.তলত কি প্রত্যয় যোগ হৈছে লিখা আৰু ভাঙি দেখুওৱা।

নাৱৰীয়া             = নাও + অৰীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

উজনি               = উজা + অনি (কৃৎপ্রতায়)

বুধিয়ক              = বুদ্ধি + অক (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

পনীয়া               = পানী + আ (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

বননি               = বন + অনি (তদ্ধিৎ প্রত্যয় )

পলৰীয়া           = পল + অৰীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

কাঠানি            = কাঠ + অনি (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

মিছলীয়া          = মিছা + অলীয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

সাহিয়াল          = সাহ + ইয়াল (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

গঞা                = গাঁও + আ (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

জোনাকী          = জোনাক + ঈ (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

পথিক               = পথ + ইক (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

নদীয়াল             = নদী + ইয়াল (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

জাননী               = জান + অনী (কৃৎ প্রত্যয়)

পষেকীয়া          = পষ + অকীয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

সাঁচতীয়া             = সাঁচ + অতিয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

আপুনি যদি আমাৰ এই লেখা পঢ়ি ভাল পাইছে তেন্তে আমাৰ ‘নিউজলেটাৰ চাবস্ক্রাইব’ কৰক। নতুবা আমাৰ ‘ফেচবুক পৃষ্ঠা’ অনুসৰণ কৰক বা আমাৰ “ইউটিউব চেনেল চাবস্ক্রাইব’ কৰক ।

কপহুৱা              = কপাহ + উৱা (তদ্ধিতৎ প্রত্যয়)

বিহুৱা               = বিহু + উৱা (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

মটীয়া               = মাটি + ঈয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

শিকাৰু                = শিক + আৰু (কৃৎ প্রত্যয়)

কথকী               = কথা +ক + ই (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

কান্দুৰা              = কান্দ + উৰা ( কৃৎ প্রত্যয়)

পচতীয়া             = পচা + অতীয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

লিখোঁতা             = লিখ + ওঁতা (কৃৎ প্রত্যয়)

নামতী               = নাম + অতী (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

খজুৱতী             = খজুৱা + অতি ( কৃৎ প্রত্যয়)

লাগতীয়াল           = লাগ + অতি +আল (কৃৎ প্রত্যয়)

ক্ষীৰতী              = ক্ষীৰ + অতী (কৃৎ প্রত্যয়)

নাচন                = নাচ _ অন্‌ (কৃৎ প্রত্যয়)

ভগন                = ভাগ + অন্‌ (কৃৎ প্রত্যয়)

খাৱন                = খা + অন্‌ (কৃৎ প্রত্যয়)

ভঙন                = ভাঙ + অন্‌ (কৃৎ প্রত্যয়)

ফুৰণ                = ফুৰ + অন্‌ (কৃৎ প্রত্যয়)

জপনা               = জাপ + অনা (কৃৎ প্রত্যয়)

বাজনা               = বাজ + অনা (কৃৎ প্রত্যয়)

জিৰণি               = জিৰা + অনি (কৃৎ প্রত্যয়)

ফোপনি                    = ফোপা + অনি (কৃৎ প্রত্যয়)

শপনি               = শাপ +অনি (কৃৎ প্রত্যয়)

ৰোৱনী              = ৰো + অনী (কৃৎ প্রত্যয়)

নাচনী               = নাচ + অনী (কৃৎ প্রত্যয়)

জিৰণীয়া             = জিৰা + অনীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

বিলনীয়া             = বিলা + অনীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

খাৱৰীয়া             = খা + অৰীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

হাঁহি                 = হাঁহ + ঈ (কৃৎ প্রত্যয়)

ৰখীয়া               = ৰাখ + ঈয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

কাহুৱা               = কাহ + উৰা (কৃৎ প্রত্যয়)

ঘৰচীয়া                    = ঘৰচী + ঈয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

ফুলতী               = ফুল + অতী (কৃৎ প্রত্যয়)

আগতীয়া            = আগ + অতীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

ধাননী               = ধান + অনি (কৃৎ প্রত্যয়)

কাঠনি               = কাঠ + অনি (কৃৎ প্রত্যয়)

শাকনি               = শাক + অনি (কৃৎ প্রত্যয়)

ভাৱৰীয়া             = ভাও + অৰীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

আধৰুৱা             = আধ + অৰুৱা (কৃৎ প্রত্যয়)

বাটৰুৱা             = বাট + অৰুৱা (কৃৎ প্রত্যয়)

গাঁৱলীয়া             = গাঁও + অলীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

মজলীয়া             = মাজ + অলীয়া (কৃৎ প্রত্যয়)

মিছলীয়া             = মিছা + অলীয় (কৃৎ প্রত্যয়)

পনীয়া               = পানী + আ (কৃৎ প্রত্যয়)

ফপৰা               = ফপৰ + আ (কৃৎ প্রত্যয়)

মিঠাই               =  মিঠা + ই (কৃৎ প্রত্যয়)

জোনাক              = জোন + আক (কৃৎ প্রত্যয়)

ফুলাম               = ফুল + আম (কৃৎ প্রত্যয়)

ঠগামি               = ঠগ + আমি (কৃৎ প্রত্যয়)

পূজাৰী              = পূজা + আৰী (কৃৎ প্রত্যয়)

জুৱাৰী               = জুৱা + আৰী (কৃৎ প্রত্যয়)

গুৰিয়াল             = গুৰি + আল (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

তেজাল              = তেজ + আল (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

ওজালি              = ওজা + আলি (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

সোণালী             = সোণ + আলী (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

পাখি                = পাখ + ই (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

মাদুলি               = মাদুল + ই (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

মজিয়া               = মাজ + ইয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

মৰমিয়াল            = মৰম + ইয়াল (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

ৰুগী                = ৰোগ + ঈ (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

খুলীয়া               = খোল + ঈয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

জুলীয়া               = জোল + ঈয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

ভঙনীয়া             = ভাঙ + ঈয়া (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

দন্দুৰা               = দন্দ + উৰা (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

এলেহুৱা             = এলাহ + উৱা (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

সাৰুৱা              = সাৰ + উৱা (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

মাছুৱৈ                      = মাছ + উৱৈ (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

হালোৱা                    = হাল + উৱা (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

সোণোৱালী           = সোণ + ওৱালী (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

পুৱতী               = পু + অতী (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

কুঁহি                 = কোঁহ + ই (তদ্ধিৎ প্রত্যয়)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *